More Quotes by Rudra Mohammad Shahidullah
কোথাও সুস্থতা নেই। এ সময়ে শোষণের সুশোভন নামই সুস্থতা --তুমি সেই সুস্থতার নির্বোধ প্রতিক। আত্মপ্রকাশের সামনে তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
তুমি রেশমী হাতে বুলোতে পরশ রাত্রি নিশ্চুপ হেঁটে যেতো শরীর বেয়ে। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বসবে না, চিত্রল তরুণ হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট
কাপড়ে যেমন রোদের গন্ধ তেমনি আমারো শরীরে কিছুটা লেগে আছে প্রিয় আগুনের ঘ্রান বেদনার সুখে। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
আমি মস্তিস্কের সমস্ত জানালা খুলে দাঁড়িয়ে রয়েছি, কেউ আসছে না। না রোদ, না পাখির নেকলেস। কেবল উত্তর পাহাড়ের হিম, ঠান্ডা হাত ছুঁয়ে যাচ্ছে ব্যথিত চিবুক। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ, আমাকে গ্রহণ করো। উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান, আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ। আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে?
পাখি হয়ে যাই, অথচ খুলতে পারি না দেহের খাঁচা, ডানা ঝাপটাই অভ্যন্তরে স্বপ্নের ডানা নাড়ি। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
পাঁচশো পঞ্চান্ন মার্কা আধ-খাওয়া একটা সিগারেট প্রথমে স্পর্শ করলো তার বুক। পোড়া মাংসের উৎকট গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো ঘরের বাতাসে। জ্বলন্ত সিগারেটের স্পর্শ তার দেহে টসটসে আঙুরের মতো ফোস্কা তুলতে লাগলো।
কথা ছিলো, আর্য বা মোঘল নয়, এ জমিন অনার্যের হবে। অথচ এখনো আদিবাসী পিতাদের শৃঙ্খলিত জীবনের ধারাবাহিকতা কৃষকের রন্ধ্রে রক্তে বুনে যায় বন্দিত্বের বীজ। মাতৃভূমি-খন্ডিত দেহের ’পরে তার থাবা বসিয়েছে আর্য বণিকের হাত। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
সে তার দেহের বস্ত্রহীনতার কথা বলেছিলো- বুঝি সে-কারণে ফর ফর করে টেনে ছিঁড়ে নেয়া হলো তার শার্ট। প্যান্ট খোলা হলো। সে এখন বিবস্ত্র, বীভৎস। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ