#Quote

সমস্ত ধরনের খুন করা নিঃসন্দেহে খুবই নিন্দনীয়। কিন্তু ধর্মের নামে, বর্ণের নামে, গোত্রের নামে, সাম্প্রদায়ের নামে মানুষকে খুন করা সবচেয়ে ঘৃণিত।

Facebook
Twitter
More Quotes by Ahmed Sharif
নাগরিক বা জনসাধারণকে শিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে বানিয়ে তোলার মধ্য দিয়েই একমাত্র সম্ভব সাম্প্রদায়িকতার ও হিংসার বিষদাঁত ভেঙে ফেলা।
পীড়নের মাধ্যমে যে প্রশান্ত, আতঙ্ক-ত্রাস, সন্ত্রাস-সংহার মাধ্যমে যে সমাজবদ্ধ-প্রদেশিক প্রশান্তির কথা কিছু অধ্যাত্মবাদী কল্পনা করে থাকে, তা কবরের শান্তিপূর্ণ অবস্থার সাথে উপমেয়
বাণী বা বার্তা প্রদানকারীকে খুন করা, কিন্তু বাণী বা বার্তাকে মোটেও নয়।
এই অশিক্ষা-কুশিক্ষা, সংস্কার-কুসংস্কার ও ধর্মান্ধ দেশে অনেক বয়স্ক ব্যক্তিত্ব নাবালক থেকে যায়। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত অনেকের সাবালকত্ব প্রাপ্তি ঘটে না।
এই বর্তমান যুগে নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া খুবই কঠিন। কারণ নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ মানুষেরা এই সমাজে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে পরিচিতি লাভ করে থাকে।
যে সমস্ত ব্যক্তির সাহসিকতা নেই সে সব মানুষ কাপুরুষ। জীবিত থেকেও তারা যেন মৃত।
জ্ঞানই শক্তির, ক্রমোন্নতি ও মানুষ্যমৈত্রীর প্রধান উৎস
পড়াশুনায় জ্ঞান বৃদ্ধি হয়, স্বভাব গঠিত হয় না। পুঁথিগত পাঠের প্রভাব বিষয় মূলক কাজের নিপুণতা, হৃদয় ও মানসিক অবস্থার চালিকা শক্তি নয়। পুঁথিগত জ্ঞান যেন জলের মতো পাতলা পদার্থ, যে ভাণ্ডারে নিবিষ্ট হয়ে থাকে, সেই ভাণ্ডারেই আকৃতি পায়, অথবা তা সুলেমানি আংটির মনিবের উদ্দেশ্য পূরণের সাহায্যকারী মাত্র। ব্যক্তিগণ পুঁথিগত বিদ্যার আজ্ঞাবহ হয় না, বিদ্যাকে আজ্ঞাবহ করে বিশেষ লক্ষ বা উদ্দেশ্য সম্পাদনের কাজে লাগায়। এই তরেই জ্ঞান শক্তিমত্তা রীতি নয়।
দেশপ্রেমের পরিমাণ অনেক বেশি গভীর হলেই, নিজের জীবনের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতার কথা চিন্তা করা যায়।
মানুষের সমাজে পুরানো ও নতুনে বিবাদ-মোকাবিলা লাগে বটে। কিন্তু চূড়ান্তভাবে জিত নতুনেরই হয়ে থাকে। তা সত্ত্বেও মানুষ আজীবন ধরে ইতিহাসের এই প্রমাণ অগ্রাহ্য করে চলেছে।