More Quotes by Ahmed Sharif
অস্ত্র নির্মাণ, মারণাস্ত্রের ব্যবসা ও মারণাস্ত্রের ব্যবহার দ্বারা তথাকথিত মানবতাবাদীর প্রবক্তা দেশগুলোই প্রমাণ করেছে তারা মানবতার শত্রু।
প্রকৃতির নিয়মই যেসব কিছু পুরাতন হয়, সেগুলোকে জড়তা ও জীর্ণতা জড়িয়ে ধরে, ধ্বংসের বির্জ তার কাজে নিযুক্ত। কাজেই নতুনের অমোঘ প্রতিষ্ঠা ও প্রসার একসময় অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
দেশপ্রেমের পরিমাণ অনেক বেশি গভীর হলেই, নিজের জীবনের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতার কথা চিন্তা করা যায়।
সমস্ত ধরনের খুন করা নিঃসন্দেহে খুবই নিন্দনীয়। কিন্তু ধর্মের নামে, বর্ণের নামে, গোত্রের নামে, সাম্প্রদায়ের নামে মানুষকে খুন করা সবচেয়ে ঘৃণিত।
ধর্ম মানুষের উদ্ভবনী শক্তির একটি বিস্ময়কর আবিষ্করণ। ধর্ম মানুষের আত্মার উথলে ওঠার ভাব, বাসনার উচ্ছৃঙ্খলতা, স্পৃহার অজেয়, ব্যাবহারের নিয়ন্ত্রণহীনতা, ভাবনার স্বতন্ত্রতা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণার বহুবর্ণময়, নানান এক নিয়ম অনুযায়ী ধাপে চালিয়ে নিয়ে গিয়ে যন্ত্র-বিশারদ ক্ষেত্রতত্ত্বতে সীমাবদ্ধ রাখে।
আইনের যদি নিজের শাসনটাই প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে মানুষ দেশের আইনের উপর বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা উভয় হারিয়ে ফেলবে।
ধর্ম খারাপ আত্মাকে করে সংযমন, ভালো আত্মা গুলিকে রাখে সঙ্কুচিত করে, খুশিকে করে দুষ্প্রাপ্য, অসন্তোষ কে করে চিরকাল ধরিয়া, অনুভবকে করে নিরব, দুঃখকে করে দৃষ্টিহীন, উপলব্ধি হয় অবয়বশূন্য আর হয় খুবই কম, শক্তিশালী ও শক্তিহীন, জ্ঞানবান ও অশিক্ষিত, সহায়ক ও দুরন্ত সমভাবেই থাকে।
শিক্ষাহীনতা এবং অজ্ঞতার মত অভিশাপ আর নেই।
এই অশিক্ষা-কুশিক্ষা, সংস্কার-কুসংস্কার ও ধর্মান্ধ দেশে অনেক বয়স্ক ব্যক্তিত্ব নাবালক থেকে যায়। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত অনেকের সাবালকত্ব প্রাপ্তি ঘটে না।
পড়াশুনায় জ্ঞান বৃদ্ধি হয়, স্বভাব গঠিত হয় না। পুঁথিগত পাঠের প্রভাব বিষয় মূলক কাজের নিপুণতা, হৃদয় ও মানসিক অবস্থার চালিকা শক্তি নয়। পুঁথিগত জ্ঞান যেন জলের মতো পাতলা পদার্থ, যে ভাণ্ডারে নিবিষ্ট হয়ে থাকে, সেই ভাণ্ডারেই আকৃতি পায়, অথবা তা সুলেমানি আংটির মনিবের উদ্দেশ্য পূরণের সাহায্যকারী মাত্র। ব্যক্তিগণ পুঁথিগত বিদ্যার আজ্ঞাবহ হয় না, বিদ্যাকে আজ্ঞাবহ করে বিশেষ লক্ষ বা উদ্দেশ্য সম্পাদনের কাজে লাগায়। এই তরেই জ্ঞান শক্তিমত্তা রীতি নয়।