#Quote

কলিযুগ নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের অবনতির পাশাপাশি ধার্মিকতার পতন এবং অধার্মিকতার বৃদ্ধি দ্বারাও চিহ্নিত।

Facebook
Twitter
More Quotes
সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০: “হে মুমিনগণ! সুদ খাওয়ার অব্যাহত রাখো না যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহর বিধি মানো এবং আল্লাহর নিকট থেকে ধৈর্য সহকারে মাফ চাইতে থাকো।
বাবার বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বড় ছেলের ঘাড়ের বোঝাটাও বড় হতে থাকে। কারণ বাবার দায়িত্বটা বড় ছেলের কাঁধে এসে পড়বে।
কলিযুগে মানুষ হবে মিথ্যাবাদী ও স্বার্থপর। মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আর কাজের মধ্যে কোন মিল থাকবে না ।
বর্তমানে আজকের এই সমাজের পরকীয়ার মতো জঘন্যতম পাপ ও অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি সাজানো-গোছানো সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
কলিযুগে বাস করতে গেলে ধৈর্য ধারণ শিখতে হবে, নয়তো টিকে থাকতে পারবে না।
পূর্বপুরুষদের কীর্তি ধরে রাখার সেরা উপায় হল নিজের কৃতিত্বের মাধ্যমে তাদের গৌরব আরও বৃদ্ধি করা।
কলিযুগে মানুষের মাঝে ঝগড়া-বিবাদ, খিদে, তৃষ্ণা, রোগ-ভোগ ও গভীর উদ্বেগও ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে।
মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে -সূরা মূলক
কলিযুগে হরিনামই পারে সকল পাপ খণ্ডন করতে। ঈশ্বরের স্মরণ নিলেই মানুষ সকল বিপদ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।
কলিযুগে মানুষ খরা ও অত্যধিক করের কবলে পরে মানুষের খাদ্যের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠবে গাছের পাতা, মূল, মাংস, মধু, ফল, ফুল, বীজ। খরায় মানবজাতি ক্রমাগত ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।