#Quote

শাস্তি ও সান্ত্বনা: কবরের শাস্তি এবং বরকত সম্পর্কে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ভালো কাজ করবে, তার কবর প্রশস্ত হবে এবং সে সেখানে শান্তি পাবে।

Facebook
Twitter
More Quotes
হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার রবের কাছে ফিরে আস সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে, অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হও, আর আমার জান্নাতে প্ৰবেশ কর।
যেই ছেলেটা নিজেই নিজের প্রেমের কবর খুঁড়তো। তোমার স্পর্শেই জেনেছিল , সময় থামার মুহূর্ত।
দু’টি গমের মাঝে তাকে গিরা দিতে বলা হবে’ এর অর্থ হচ্ছে তাকে সর্বদা শাস্তি দেয়া হবে। জাগ্রত অবস্থার চেয়ে ঘুমন্ত অবস্থার মিথ্যা ব্যাপারে কেন এ কঠিন শাস্তি ? অথচ জাগ্রত অবস্থায় মিথ্যা বলে কাউকে তো হত্যা পর্যন্ত করা যায়। এর উত্তর হচ্ছে, ঘুমন্ত অবস্থায় মিথ্যা বলার অর্থ হল আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলা। কারণ, স্বপ্ন নবুয়তের একটি অংশ, তাই নবুওয়তের অংশও আল্লাহর পক্ষ থেকেই। সবার নিকট বিদিত যে, মানুষের ওপর মিথ্যা বলার চেয়ে আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলার শাস্তি ভয়াবহ ও কঠিন।
স্বার্থপর মানুষের সব চাইতে বড় শাস্তি হলো , এরা নিজের স্বার্থের বাইরে যেতে পারে না।
আমার আদরের মানুষ তুমি, স্ত্রী হিসেবে তুমি নিজের সব দায়িত্ব পালন করেছে। এতো ভালোবাসা পেয়েছি তোমার কাছ থেকে, দুষ্টু এই মন চায় আরো বেশী পেতে। কি জানি তোমার মধ্যে কি আছে, এই মন চায় তোমাকে আরো বেশী কাছে পেতে৷
মাঝে মাঝে শত্রুর চেয়ে বেশি কঠিন শাস্তি দিয়ে থাকে আমাদের পরিবার।
বিশ্বাস ভাঙার অপরাদের শাস্তি যদি থাকত, তাহলে বিশ্বাস ভঙ্গকারী শাস্তিতে হাজার মানুষ জেলে থাকত।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: “কবর হলো পরকালের প্রথম স্টেশন; যে ব্যক্তি এখানে ভালোভাবে পরীক্ষা দেওয়া পারবে, সে পরবর্তী স্তরে প্রবেশ করবে।”
রাগ করলে নিজের ক্ষতি, কেননা রাগ আপনাকে সুখ এনে দেবে না বরং শাস্তি দেবে।
জীবন একাই কাটে। মানুষ সান্ত্বনা দেয় কিন্তু সমর্থন করে না।