#Quote
More Quotes by Shakib Al Hasan
বড় কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উনি আমাকে একবার বলেছিলেন, ‘দেখো, আগে আমরা শচীনের নাম শুনতাম। ইমরান খানের কথা বলত মানুষ। কিন্তু আমাদের বলার মতো ও রকম কেউ ছিল না। এখন আমরা তোমার কথা বলতে পারি।
যদি দেশপ্রেমের কথা বলি, বাংলাদেশের অনেক মানুষের মধ্যেই সেটা নেই। অনেকেই মুখে অনেক কথা বলতে পারে। কিন্তু যদি তাকে একটা চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দেন, যখন আপনি প্রমাণ করতে বলবেন দেশপ্রেম আছে কি নেই, তখন দেখবেন ৯০ শতাংশ লোক সরে গেছে।
আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলংকার সঙ্গে হারলে কোনো কথা হয় না। আফগানিস্তানের কাছে হারলে সবার খারাপ লাগে। তারা টি২০ র্যাংকিংয়ে সাতে। আর প্রথমে যে দুটি দলের নাম বললাম তাদের র্যাংকিং আট ও নয়। আমি জানি না আমাদের দেশের মানুষের প্রত্যাশা কী।
টাকাটাও একটা ফ্যাক্টর। আমার কথাই বলি। বয়স ৩৪ হয়ে গেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বড়জোর আর তিন/চার বছর খেলতে পারব। দুই বছরও হতে পারে। কপাল খারাপ থাকলে এক বছর। আর্থিক দিকটা ভাবা কি অন্যায়?
আর আয়ের কথা যে বললেন, জাতীয় দলের একটা ক্রিকেটারকে যে মান মেনে চলতে হয়...বললে হয়তো খারাপ শোনা যাবে, আমার বেতন কোন দিক দিয়ে আসে কোন দিক দিয়ে যায় আমি জানি না। একটা ভালো রেস্টুরেন্টে যান, পাঁচ-ছয়জন লাঞ্চ করেন, ডিনার করেন, আপনার ২০-২৫ হাজার টাকা শেষ।
ওদের মূল দল বাংলাদেশের সঙ্গে পারছে না বলেই নাকি এমন দল পাঠিয়েছে তারা!
যখন ছেলেটি বলল , ফুলের দাম লাগবে না । একটা ছক্কা মাইরেন । তখন সারা শরীর আমার শিউরে উঠলো।
এখন কম কথা বলি, আগে মনে হয় দলের ভেতর আরও বেশি সম্পৃক্ত থাকতাম। আগে আরও বেশি কাজ করতাম!
যদি দলের ৯ জন খেলোয়াড়ও বিশ্বাস করে যে আমাদের পক্ষে জেতা সম্ভব তবুও কিছুই হবে না । দলের ১১ জন খেলোয়াড়কেই বিশ্বাস করতে হবে আমাদের জেতা সম্ভব তবেই সব সম্ভব।
আমি যখন খেলতে নামব, স্বাভাবিকভাবেই তো ‘লাস্ট’ হওয়ার জন্য খেলতে নামব না। একটা ছাত্র স্কুলে যতই কম যাক, কম পড়ুক; ও তো ফার্স্ট হওয়ার জন্যই পরীক্ষা দেয়।