#Quote
More Quotes by Tajuddin Ahmad
বাংলাদেশের নিরন্ন দুঃখী মানুষের জন্যে রচিত হোক এক নতুন পৃথিবী যেখানে মানুষ মানুষকে শোষণ করবে না। আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক ক্ষুধা, রোগ, বেকারত্ব আর অজ্ঞানতার অভিশাপ থেকে মুক্তি। এই পবিত্র দায়িত্বে নিয়োজিত হোক সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙালী ভাই-বোনের সম্মিলিত মনোবল ও অসীম শক্তি। যারা আজ রক্ত দিয়ে উর্বর করছে বাংলাদেশের মাটি, যেখানে উৎকর্ষিত হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন মানুষ, তাদের রক্ত আর ঘামে ভেজা মাটি থেকে গড়ে উঠুক নতুন গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা; গণ-মানুষের কল্যাণে সাম্য আর সুবিচারের ভিত্তিপ্রস্তরে লেখা হোক, ‘জয় বাংলা’, জয় স্বাধীন বাংলাদেশ
আমরা বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব যা সোভিয়েত রাশিয়া বা চীনের ধরণে হবে না, বরঞ্চ তা হবে আমাদের নিজেদের মত। আমরা গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি সুষম সমন্বয় ঘটাব যা বিশ্বে একটি অসাধারণ ব্যাপার হবে।
আমাদের বুদ্ধিজীবীরা দেশের সত্যিকার সমস্যা তুলে ধরবেন এবং সমাধানের ইঙ্গিত প্রদর্শন করবেন,এটাই কামনা করি। অন্ধভাবে আমাদের শুধু প্রশংসা করলেই চলবে না। - তাজউদ্দীন আহমদ
বক্তৃতা কমাতে হবে। এখন ভেবে দেখতে হবে বক্তৃতায় যা বলা হয়েছে তা করা হয়েছে কিনা। - তাজউদ্দীন আহমদ
যত সুন্দর ভাষা ও শব্দ দিয়ে সংবিধান লেখা হোক না কেন, জাতির জীবনে তা প্রয়োগ না হলে সেটা অর্থহীন হয়ে পড়বে। - তাজউদ্দীন আহমদ
মাটি আর মানুষ নিয়ে দেশ-বাংলাদেশ এখন সার্বভৌম, তার মাটি এখন কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। কিন্তু মানুষ না থাকলে কাকে নিয়ে রাজনীতি এবং কার জন্যেই বা রাজনীতি। মানুষ যখন মরে যাচ্ছে তখন নিরব দর্শক হয়ে বসে থাকা যায় না।
ভরা মৌসুমে বাংলার চাষির হাতে যখন পাট থাকে তখন ব্যবসায়ীরা চক্রান্ত করে পাটের মুল্য কমিয়ে রাখে অথচ চাষি ভাইদের হাত থেকে পাট চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটের মুল্য বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মের অবসান করতে হবে।
সরকারি দলই হোক আর বিরোধী দলই হোক কারো হাতে অস্ত্র থাকা উচিত নয়। এতে আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং উপদলের মধ্যে অনাস্থার সৃষ্টি হয়।
শুধু বড় বড় কথা বলে এবং অপরের কাঁধে দোষ চাপিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না। - তাজউদ্দীন আহমদ
স্বাধীন দেশের মানুষের মতই এ দেশের শিশুরাও চিন্তার স্বাধীনতা পাবে। আমাদের বড়দেরকেই শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।