#Quote
আমাকে আমার আম্মা একদিন ডাকলেন, তখন রাসূল সা. আমাদের ঘরে বসা ছিলেন, আম্মা বললেন, তুমি আস, আমি তোমাকে দেব। রাসূল সা. বললেন, তুমি তাকে কি দেয়ার ইচ্ছা করেছ? তিনি বললেন, আমি তাকে খেজুর দেব। রাসূল সা. তাকে বললেন, হ্যাঁ, যদি তুমি তাকে কিছু না দিতে তবে তার সঙ্গে তোমার এটা মিথ্যা বলা হত।’ আবু হুরায়রা রা. বলেন, যে ব্যক্তি কোন বাচ্চাকে বলল, আস আমি তোমাকে দেব, অতঃপর সে যদি না দেয়, তবে তার এটা মিথ্যা কথা হবে।
Facebook
Twitter
More Quotes
মিথ্যা বলে ভালো হওয়ার চেয়ে, সত্য বলে খারাপ হওয়া অনেক ভালো।
কাউকে মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে আপনি কেবল তার আবেগ নিয়ে খেলছেন।
দু’টি গমের মাঝে তাকে গিরা দিতে বলা হবে’ এর অর্থ হচ্ছে তাকে সর্বদা শাস্তি দেয়া হবে। জাগ্রত অবস্থার চেয়ে ঘুমন্ত অবস্থার মিথ্যা ব্যাপারে কেন এ কঠিন শাস্তি ? অথচ জাগ্রত অবস্থায় মিথ্যা বলে কাউকে তো হত্যা পর্যন্ত করা যায়। এর উত্তর হচ্ছে, ঘুমন্ত অবস্থায় মিথ্যা বলার অর্থ হল আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলা। কারণ, স্বপ্ন নবুয়তের একটি অংশ, তাই নবুওয়তের অংশও আল্লাহর পক্ষ থেকেই। সবার নিকট বিদিত যে, মানুষের ওপর মিথ্যা বলার চেয়ে আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলার শাস্তি ভয়াবহ ও কঠিন।
অর্ধেকটা খেজুর দান করেও তোমরা নিজেদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে পারো। যদি তা-ও না থাকে, তবে সুন্দর করে কথা বলো– বুখারী
মাঝে মাঝে আপনার মন এবং আপনার হৃদয় বিভিন্ন জিনিস খুজে এবং আপনি জানেন যে আপনার হৃদয় মিথ্যাবাদী।
যে মানুষ অবলীলায় মিথ্যে বলতে পারে, সে খুব সহজেই একটা সম্পর্ক ভেঙে আরেকটা সম্পর্কে জড়াতে পারে।
মিথ্যার ভিত্তির উপর গড়া সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমেই শেষ হয়।
মিথ্যারও মহত্ত্ব আছে। হাজার হাজার মানুষকে পাগল করিয়া দিতে পারে মিথ্যার মোহ। চিরকালের জন্যে সত্য হইয়াও থাকিতে পারে মিথ্যা।
কিন্তু যে শেষ পর্যন্ত মিথ্যা বপন করে তার ফসলের অভাব হবে না এবং শীঘ্রই সে কঠোর পরিশ্রম থেকে বিশ্রাম নিতে পারে, অন্যরা তার জায়গায় কাটা ও বপন করে। — জেআর.আর. টলকিয়েন
যে ব্যক্তি একটি মিথ্যা বলে, সে জানে না সে কতো বড়ো কাজের দায়িত্ব নিচ্ছে। কারণ সেই মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে তাকে বিশটি মিথ্যা উদ্ভাবন করতে হবে।