#Quote

এই যে অশ্রান্ত বিক্ষোভ, নিজের জীবন হইতে ছুটিয়া বাহির হইবার এই যে দিগ্বিহীন ব্যাকুলতা, ইহার কি কোন শেষ নেই? খাঁচায় আবদ্ধ পাখির মতো কি সে দিনরাত্রি অবিশ্রাম মাথা খুঁড়িয়া মরিবে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Facebook
Twitter
More Quotes by Sarat Chandra Chattopadhyay
যে বস্তুরই হোক, শেষ পর্যন্ত ভেবে দেখা মানুষের সাধ্য নাই। যিনি যতবড় বিচক্ষণ পন্ডিতই হোন না কেন, শেষ ফলটুকু ঈশ্বরের হাত থেকেই নিতে হয়। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
যে আহবানে এই স্তব্ধ -নিবিড় নিশিথে এই বাড়ির সমস্ত কঠিন শাষনপাশ তুচ্ছ করিয়া দিয়া, একাকী বাহির হইয়া আসিয়াছি, সে যে কতো বড় আকর্ষণ, তাহা তখন বিচার করিয়া দেখিবার সাধ্য আমার ছিলো না। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায
যে বস্তুরই হোক, শেষ পর্যন্ত ভেবে দেখা মানুষের সাধ্য নয়। যিনি যতবড় বিচক্ষণ পন্ডিতই হোন না কেন, শেষ ফলটুকু ভগবানের হাত থেকেই নিতে হয়। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
অতীত মুছে ফেলার শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে স্থান পালটানো। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কাল যে ছিল,আজ সে নাই; আজও যে ছিল,তাহারো ঐ নশ্বর দেহ টা ধীরে ধীরে ভস্মসাৎ হইতেছে, আর তাহাকে চেনাই যায় না; অথচ, এই দেহ টাকে আশ্রয় করিয়া কত আশা,কত আকাঙ্ক্ষা,কত ভয়,কত ভাবনাই না ছিল। কোথায় গেল? এক নিমিষে কোথায় অন্তর্হিত হইল?তবে কি তার দাম?মরিতেই বা কতক্ষন লাগে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ভালবাসিবার অধিকার সংসার আমাকে দেয় নাই। এই একাগ্র প্রেম, এই হাসি কান্না, মান অভিমান, এই ত্যাগ, এই নিবিড় মিলন সমস্তই লোকচক্ষে যেমন ব্যার্থ, এই আসন্ন বিচ্ছেদের অসহ অন্তর্দাহও বাহিরের দৃষ্টিতে তেমনি অর্থহীন। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
আমি তো চললুম। পথের কষ্ট আমাকেই নিতে হবে, সে নিবারণ করার সাধ্য কারো নেই। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ওই বাহিরের চাঁদটাও কিছু না, মেঘটাও কিছু না, সব ফাঁকি সব ফাঁকি! আসল যা কিছু, তা এই নিজের মনটা। সে যখন যাকে যা দেখায়, বিভোর হইয়া সে তখন শুধু দেখে। আমরাও সেই দশা। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শিক্ষা, বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞান, উন্নতি -- যা কিছু সব সুখের জন্য। যেমন করেই দেখ না কেন, নিজের সুখ বাড়ানো ছাড়া এ সকল আর কিছুই নয়। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
তুমি রাগ করবে জানি, কেননা চিরকাল তুমি ভালোর সাথে মিশে ভালো দেখে, ভালো হয়েই আছো। কিন্তু আমার মতো ভালো মন্দ দেখে যদি পাকা হতে, তাহলে আমার এতো কথা বলার আবশ্যক হতো না। তোমার নিজের চোখেই অনেক জিনিস ধরা পড়তো। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়