#Quote

যাহাকে ভালোবাসি সে যদি ভালো না বাসে, এমনকি ঘৃণাও করে তাও বোধ করি সহ্য হয়! কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি বলিয়া বিশ্বাস করেছি, সেইখানে ভুল ভাঙ্গিয়া যাওয়াটাই সবচেয়ে নিদারুন। পূর্বের টা ব্যাথা দেয়। কিন্তু শেষের টা ব্যাথাও দেয়, অপমান ও করে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Facebook
Twitter
More Quotes by Sarat Chandra Chattopadhyay
জীবনের আনন্দ খুঁজে পেতে দূরে যেতে হবে না। সামান্যতার মধ্যেই রয়েছে সবচেয়ে বড়ো সুখ।
কাল যে ছিল,আজ সে নাই; আজও যে ছিল,তাহারো ঐ নশ্বর দেহ টা ধীরে ধীরে ভস্মসাৎ হইতেছে, আর তাহাকে চেনাই যায় না; অথচ, এই দেহ টাকে আশ্রয় করিয়া কত আশা,কত আকাঙ্ক্ষা,কত ভয়,কত ভাবনাই না ছিল। কোথায় গেল? এক নিমিষে কোথায় অন্তর্হিত হইল?তবে কি তার দাম?মরিতেই বা কতক্ষন লাগে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
রাগ করিব কাহার উপর? কিসের জন্য? কি তাহার অপরাধ? ঝর্ণার জলধারার অধিকার লইয়াই বিবাদ করা চলে। কিন্তু উৎসমুখে জলই যদি শেষ হইয়া থাকে, তো শুষ্ক খাদের বিরুদ্ধে মাথা খুড়িয়া মরিব কোন ছলনায়। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
এ জীবনে ভালোবাসার ব্যবসা অনেক করেছি। কিন্তু একটিবার মাত্র ভালোবেসেছি। সে ভালোবাসার অনেক মূল্য, অনেক শিখেছি। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
মনে করি চাঁদ ধরি হাতে দেই পেড়ে বাবলা গাছে হাত লেগে আঙুল গেল ছিড়ে! - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
মেয়েরা পুরুষের হৃদয় এক নিমিষেই চিনে নিতে পারে, এটি বিধাতার দেয়া শক্তি। অথচ আশ্চর্যের ব্যাপার ওরা নিজেদের হৃদয় নিজেরা চিনতে পারে না। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
আমি যে মেয়েমানুষ! মেয়েমানুষের কি কখনো অসুখ হয়, না সে মরে? কোথায় শুনেচ, অযত্নে অত্যাচারে মেয়েমানুষ মরে গেছে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
জগতের সমস্ত বস্তুই সাফাই সাক্ষীর হাত ধরে হাজির হতে পারে না বলেই মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে হলে অনেক ভালো জিনিস হতে বঞ্চিত হয়ে থাকতে হয়। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
আমার জীবন আজ মৃত, বিসর্জিত, প্রতিমার শেষ চিহ্নটুকু পর্যন্ত নদীতীরে দাড়াইয়া স্বচক্ষে দেখিয়া ফিরিয়াছি। আশা করিবার, কল্পনা করিবার, আপনাকে ঠকাইবার কোথাও কোনো সুত্র আর অবশিষ্ট রাখিয়া আসি নাই। ওদিকটা নিঃশেষ নিশ্চিহ্ন হইয়াছে। কিন্তু এইশেষ যে কতখানি শেষ, তাহা বলিবই বা কাহাকে, আর বলিবই বা কেন। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
এতকাল জীবনটা কাটিল উপগ্রহের মত| যাহাকে কেন্দ্র করিয়া ঘুরি, না পাইলাম তাহার কাছে আসিবার অধিকার, না পাইলাম দুরে যাইবার অনুমতি। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়