#Quote
More Quotes by Jibanananda Das
সব ছেড়ে দিয়ে আমি তোমারে একাকী ভালোবেসে, তোমার ছায়ার মতো ফিরিয়াছি তোমার পিছনে।
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ, হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে নক্ষত্রের নিচে।
অধ্যাপক, দাঁত নেই—চোখে তার অক্ষম পিঁচুটি; বেতন হাজার টাকা মাসে—আর হাজার দেড়েক পাওয়া যায় মৃত সব কবিদের মাংস কৃমি খুঁটি; যদিও সে সব কবি ক্ষুধা প্রেম আগুনের সেঁক চেয়েছিলো—হাঙরের ঢেউয়ে খেয়েছিলো লুটোপুটি। - জীবনানন্দ দাশ
আজকে রাতে তোমায় আমার কাছে পেলে কথা বলা যেত; চারিদিকে হিজল শিরীষ নক্ষত্র ঘাস হাওয়ার প্রান্তর।
পৃথিবীর হয় না কিছু — সমস্তের তবু শেষ হয় —কীট যে ব্যর্থতা জানে পৃথিবীর ধুলো মাটি ঘাসে তারও বড় ব্যর্থতার সাথে রোজ হয় পরিচয়! যা হয়েছে শেষ হয়; শেষ হয় কোনোদিন যা হবার নয়! - জীবনানন্দ দাশ
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’ পরহাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা । - জীবনানন্দ দাশ
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঠাঁলছায়ায়; হয়তো বা হাঁস হব কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে; আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে। - জীবনানন্দ দাশ
যদি থাকে বন্ধুর মন গাং পাড় হইতে কতক্ষন । - জীবনানন্দ দাশ
আমরা হেঁটেছি যারা নির্জন খড়ের মাঠে পউষ সন্ধ্যায়, দেখেছি মাঠের পারে নরম নদীর নারী ছড়াতেছে ফুল কুয়াশার কবেকার পাড়াগার মেয়েদের মতো যেন হায় তারা সব আমরা দেখেছি যারা অন্ধকারে আকন্দ ধুন্দুল জোনাকিতে ভরে, গেছে; যে মাঠে ফসল নাই তাহার শিয়রে চুপে দাঁড়ায়েছে চাঁদ — কোনো সাধ নাই তার ফসলের তরে । - জীবনানন্দ দাশ
যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা।