মধ্যযুগের শেষ কবি কে

মধ্যযুগের শেষ কবি কে
Admin November 27, 2024 359
মধ্যযুগের শেষকবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তার কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন " অন্নদামঙ্গল" কাব্য। তাকে মধ্যযুগের শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল।

মধ্যযুগের ঐতিহাসিক উপাদান

সুলতানি যুগ ও মুঘল যুগ মিলে মধ্যযুগ বলা হয় । মধ্যযুগে ইতিহাস গ্রন্থের অভাব নেই । সেজন্য মধ্যযুগে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান অপেক্ষা সাহিত্যিক উপাদান বেশি গুরুত্বপূর্ণ । সুলতানিযুগের ঐতিহাসিক উপাদান দু ধরনের (i) সাহিত্যিক উপাদান (The Literary Elements) ও (ii) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান (Archaeological Evidence)

সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র

ভৌগোলিক আয়তনের বিচারে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ও বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাষ্ট্র এবং পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের পশ্চিমে পাকিস্তান, উত্তরে চীন, নেপাল, ভুটান এবং পূর্বে বাংলাদেশ, মায়ানমার। এছাড়া দক্ষিণে রয়েছে বিশাল জলরাশির সীমান্ত ভারত মহাসাগর।


মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে পরিচিতি পায়

যতদূর জানি, শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের মাঝামাঝি সময়ের শুরুর দিকের কবি হিসেবে পরিচিত। খ্রিস্টীয় ১২০০-১৮০০ সাল সময়কাল জুড়ে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ব্যাপ্তি। এর মধ্যে আদি মধ্যযুগে (১৩০০-১৩৫০ সাল) মূলত হিন্দু ধর্মাবলম্বী কবিদের আধিপত্যই লক্ষণীয়, যাঁদের মধ্যে বডু চন্ডীদাস সর্বাধিক পরিচিত।

জন মিল্টন

'প্যারাডাইজ লস্ট’ মহাকাব্যের নাম শোনেননি এ রকম পাঠক পাওয়া দুষ্কর। বাইবেলের কাহিনী উপজীব্য করে লেখা হয় মহাকাব্যটি। ১৬৬৭ খ্রিস্টাব্দে এটা আলোর মুখ দেখে। মহাকাব্যটি আলোর মুখ দেখলেও যিনি এর স্রাষ্টা তিনি কিন্তু এটা দেখতে পাননি। দেখবেনই বা কেমন করে! তিনি তখন দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। হ্যাঁ, মহাকবি জন মিল্টনের কথা-ই বলা হচ্ছে। ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নানা বৈচিত্রে ভরা ছিল মিল্টনের জীবন। কাব্য তো বটেই গদ্যসাহিত্যেও তিনি ছিলেন অতুলনীয়।

বাংলাসাহিত্যে মাইকেল মধুসূদনের মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এই প্যারাডাইজ লস্ট-এর অনুপ্রেরণায় লেখা।

ধারণা করা হয় যে, অতিরিক্ত কাজের চাপে ধীরে ধীরে তার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসতে থাকে। অবশেষে ১৬৫২ সালে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যান তিনি।

লুই ব্রেইল

ব্রেইল পদ্ধতির উদ্ভাবক লুই ব্রেইল ১৮০৪ সালের ৪ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন ও ১৮৫২ সালের ৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

দুর্ঘটনাবশত একদিন বাবার জুতা সেলাইয়ের সুঁচ দিয়ে চোখে আঘাত পেয়ে দৃষ্টিশক্তি হারান লুই ব্রেইল। অন্ধ হওয়ার পর তিনি উপলব্ধি করেন দৃষ্টিহীনদের পড়াশোনার গুরুত্ব। এরপর তিনি ব্রেইল রাইটিং পদ্ধতি ডিজাইন করেন। এই পদ্ধতি ব্যবহার করেই সারা বিশ্বের অন্ধ মানুষ তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।