#Quote
More Quotes
লক্ষ্য যদি সর্বোচ্চ হয়, তাহলে সমালোচনা, আলোচনা, প্রশংসা কোন ব্যাপারই না।
সমালোচনা নিয়ে স্ট্যাটাস
সমালোচনা নিয়ে ক্যাপশন
সমালোচনা নিয়ে উক্তি
লক্ষ্য
সর্বোচ্চ
সমালোচনা
আলোচনা
প্রশংসা
ব্যাপারই
অন্যের প্রশংসা অর্জন করা একটি আনন্দদায়ক জিনিস, তবে সততার সাথে নিজেকে প্রশংসা করা আরও ভাল অনুভূতি। - রিচেল ই. গুডরিচ
নিজেকে নিয়ে কষ্টের স্ট্যাটাস
নিজেকে নিয়ে কষ্টের উক্তি
নিজেকে নিয়ে কষ্টের ক্যাপশন
অন্যের
প্রশংসা
আনন্দদায়ক
জিনিস
প্রশং
অনুভূতি
রিচেল ই. গুডরিচ
মেয়েদের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা আমি একটু করতে পারি না, কিন্তু তোমার সাথে পরিচয়ের পর আমি মেয়েদের প্রশংসা করা শিখে গেছি।
যারা সুখে দুঃখে আল্লাহকে সব সময় ডেকেছেন প্রশংসা করেছেন তাদেরকেই কিয়ামতের দিন জান্নাতের দিকে ডাকা হবে।
প্রশংসা তুমি যতো ইচ্ছা করো, কিন্তু অপমান ভেবেচিন্তে করো, কারণ অপমান হলো সেই ঋণ, যা সুযোগ পেলে সবাই সুদে আসলে ফেরত দেয়। — চাণক্য
নিজের পিঠকে সর্বদা শক্ত রাখার চেষ্টা করো। কারণ জীবনের বাস্তবতা এটাই যে নিন্দা এবং প্রশংসা তোমার পেছন থেকে আসবে।
মুখের সামনে অতিরিক্ত প্রশংসা করা মানুষ গুলোই পিছনে নিন্দা করে বেশী।
সমালোচনা নিয়ে উক্তি
সমালোচনা নিয়ে ক্যাপশন
সমালোচনা নিয়ে স্ট্যাটাস
মুখের
অতিরিক্ত
প্রশংসা
মানুষ
নিন্দা
অন্যদের প্রশংসা অর্জন করা নিঃসন্দেহে অনেক আনন্দের তবে নিজের কাছ থেকে সৎ তারিফ পাওয়া তার থেকে অনেক উচুমানের অনুভূতি।
যাহার বাটীতে যাইতেছি, তাহার সহিত আমার কথনও চাক্ষুষ হয় নাই। তাহার নাম শুনিয়াছি, সুখ্যাতিও যথেষ্ট শুনিয়াছি ; সজ্জন বলিয়া তাহার প্রশংসা সকলেই করে। কিন্তু সে প্রশংসায় কর্ণপাত বড় করি নাই, কেন না বঙ্গবাসীমাত্রই সজ্জন; বঙ্গে কেবল প্রতিবাসীরাই দুরাত্মা, যাহা নিন্দা শুনা যায় তাহা কেবল প্রতিবাসীর। প্রতিবাসীরা পরশ্রীকাতর, দাম্ভিক, কলহপ্রিয়, লােভী, কৃপণ, বঞ্চক। তাহারা আপনাদের সন্তানকে ভাল কাপড়, ভাল জুতা পরায়, কেবল আমাদের সন্তানকে কাঁদাইবার জন্য। তাহারা আপনাদের পুত্রবধূকে উত্তম বস্ত্রালঙ্কার দেয়, কেবল আমাদের পুত্রবধূর মুখ ভার করাইবার নিমিত্ত। পাপিষ্ঠ প্রতিবাসীরা! যাহাদের প্রতিবাসী নাই, তাহাদের ক্রোধ নাই। তাহাদেরই নাম ঋষি। ঋষি কেবল প্রতিবাসি-পরিত্যাগী গৃহী। ঋষির আশ্রমপার্শ্বে প্রতিবাসী বসাও, তিন দিনের মধ্যে ঋষির ঋষিত্ব যাইবে। প্রথম দিন প্রতিবাসীর ছাগলে পুষ্পবৃক্ষ নিষ্পত্র করিবে। দ্বিতীয় দিনে প্রতিবাসীর গােরু আসিয়া কমণ্ডলু ভাঙ্গিবে, তৃতীয় দিনে প্রতিবাসীর গৃহিণী আসিয়া ঋষি-পত্নীকে অলঙ্কার দেখাইবে। তাহার পরই ঋষিকে ওকালতির পরীক্ষা দিতে হইবে, নতুবা ডেপুটি মাজিষ্ট্রেটীর দরখাস্ত করিতে হইবে।
দীর্ঘশ্বাসগুলাে যে কতটা দীর্ঘ, সেটা কেবল আমার নিঘুম রাত জানে।