#Quote
More Quotes
ভালো কাজ সবসময় করো। বারবার করো। মনকে সবসময় ভালো কাজে নিমগ্ন রাখো। সদাচরণই স্বর্গসুখের পথ। - গৌতম বুদ্ধ
চট করে কারও প্রেমে পড়ে যাওয়া কোনো কাজের কথা না।
অন্যের ভালোর জন্য কাজ করুন, কারণ তখনই জীবন সার্থক হয়ে ওঠে।
জীবনে তাকে নিয়েই খুশি থাকতে শিখো যে তোমাকে পেয়ে অন্য কাঊকে আর চায়না!
অর্থ দান করা মহান, কিন্তু রক্ত দান করা আরও ভালো কাজ।
রক্তদান নিয়ে কিছু কথা
রক্তদান নিয়ে কিছু উক্তি
রক্তদান নিয়ে কিছু ক্যাপশন
রক্তদান নিয়ে কিছু স্ট্যাটাস
অর্থ
দান
রক্ত
কাজ
আপনার সাফল্যে যারা আপনার প্রশংসা করে না তাদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখবেন কারন তারাই আসল স্বার্থপর ব্যক্তি আপনার জীবনে
যে কোনো ছোট্ট কাজকে ভালোবাসা দিয়ে করা হয়, তা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে। মানুষের সেবা একটি মহৎ কাজ, যা আপনার হৃদয়ের গভীরতা প্রকাশ করে।
আমাদের প্রত্যেককে নিজের উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে এবং একই সাথে সমস্ত মানবতার জন্য একটি সাধারণ দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে।” – মেরী কুরি
প্রত্যেক
নিজ
উন্নতি
কাজ
মানবতা
দায়িত্ব
মেরী কুরি
মানবিকতা নিয়ে উক্তি
মানবিকতা নিয়ে ক্যাপশন
মানবিকতা নিয়ে স্ট্যাটাস
পৃথিবীতে সবচাইতে কঠিন হলো নিজে সংশোধন হওয়া, আর সবচাইতে সহজ কাজ হল অন্যের সমালোচনা করা
ইমোশনাল ইসলামিক স্ট্যাটাস
ইমোশনাল ইসলামিক উক্তি
পৃথিবী
কঠিন
কাজ
সংশোধন
অন্যের
সমালোচনা
ইমোশনাল ইসলামিক ক্যাপশন
যাহার বাটীতে যাইতেছি, তাহার সহিত আমার কথনও চাক্ষুষ হয় নাই। তাহার নাম শুনিয়াছি, সুখ্যাতিও যথেষ্ট শুনিয়াছি ; সজ্জন বলিয়া তাহার প্রশংসা সকলেই করে। কিন্তু সে প্রশংসায় কর্ণপাত বড় করি নাই, কেন না বঙ্গবাসীমাত্রই সজ্জন; বঙ্গে কেবল প্রতিবাসীরাই দুরাত্মা, যাহা নিন্দা শুনা যায় তাহা কেবল প্রতিবাসীর। প্রতিবাসীরা পরশ্রীকাতর, দাম্ভিক, কলহপ্রিয়, লােভী, কৃপণ, বঞ্চক। তাহারা আপনাদের সন্তানকে ভাল কাপড়, ভাল জুতা পরায়, কেবল আমাদের সন্তানকে কাঁদাইবার জন্য। তাহারা আপনাদের পুত্রবধূকে উত্তম বস্ত্রালঙ্কার দেয়, কেবল আমাদের পুত্রবধূর মুখ ভার করাইবার নিমিত্ত। পাপিষ্ঠ প্রতিবাসীরা! যাহাদের প্রতিবাসী নাই, তাহাদের ক্রোধ নাই। তাহাদেরই নাম ঋষি। ঋষি কেবল প্রতিবাসি-পরিত্যাগী গৃহী। ঋষির আশ্রমপার্শ্বে প্রতিবাসী বসাও, তিন দিনের মধ্যে ঋষির ঋষিত্ব যাইবে। প্রথম দিন প্রতিবাসীর ছাগলে পুষ্পবৃক্ষ নিষ্পত্র করিবে। দ্বিতীয় দিনে প্রতিবাসীর গােরু আসিয়া কমণ্ডলু ভাঙ্গিবে, তৃতীয় দিনে প্রতিবাসীর গৃহিণী আসিয়া ঋষি-পত্নীকে অলঙ্কার দেখাইবে। তাহার পরই ঋষিকে ওকালতির পরীক্ষা দিতে হইবে, নতুবা ডেপুটি মাজিষ্ট্রেটীর দরখাস্ত করিতে হইবে।