#Quote

সবচেয়ে বড় মিথ্যা হচ্ছে আল্লাহ ও তার রাসূল সা. এর ওপর আরোপ করা। এর শাস্তি ভয়াবহ, কেউ কেউ এ জাতীয় মিথ্যুককে কাফের পর্যন্ত বলেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম, আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটানোর জন্য। নিশ্চয় যারা আল্লাহর নামে মিথ্যা রটায়, তারা সফল হবে না।

Facebook
Twitter
More Quotes
দু’টি গমের মাঝে তাকে গিরা দিতে বলা হবে’ এর অর্থ হচ্ছে তাকে সর্বদা শাস্তি দেয়া হবে। জাগ্রত অবস্থার চেয়ে ঘুমন্ত অবস্থার মিথ্যা ব্যাপারে কেন এ কঠিন শাস্তি ? অথচ জাগ্রত অবস্থায় মিথ্যা বলে কাউকে তো হত্যা পর্যন্ত করা যায়। এর উত্তর হচ্ছে, ঘুমন্ত অবস্থায় মিথ্যা বলার অর্থ হল আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলা। কারণ, স্বপ্ন নবুয়তের একটি অংশ, তাই নবুওয়তের অংশও আল্লাহর পক্ষ থেকেই। সবার নিকট বিদিত যে, মানুষের ওপর মিথ্যা বলার চেয়ে আল্লাহর ওপর মিথ্যা বলার শাস্তি ভয়াবহ ও কঠিন।
আল্লাহর প্রেমে যেমন গভীরতা আছে, তেমনি তাঁর শাস্তিরও ভয় রয়েছে। তাঁর আদেশ মেনে চলা এবং গুনাহ থেকে বিরত থাকা তাঁর প্রেমের প্রকাশ। আসুন নিজেদেরকে তাঁর পথে উৎসর্গ করি এবং প্রতিটি কাজে তাঁর মর্জি খুঁজি।
পুরুষ মানুষ বেদনা সহ্য করে অবাঞ্ছিত শাস্তি হিসাবে, আর স্ত্রীলোক বেদনাকে গ্রহণ করে স্বাভাবিক উত্তরাধিকার হিসাবে।
মানুষ ভালোবেসে কিছু শিখুক বা না শিখুক অন্তত মিথ্যা বলতে শেখে।
আমাদের পুর্ব প্রজন্মের একজন মানুষ বলেছিলেন, খারাপ কাজের একটি শাস্তি হলাে আরাে খারাপ কাজ হওয়া এবং ভালাে কাজের একটি পুরষ্কার হলাে আরাে ভালাে কাজ হওয়া । — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)
যে ব্যক্তি স্বপ্ন না দেখেও স্বপ্ন দেখার ভান করবে, তাকে দু’টি গমের মাঝে গিরা দিতে বলা হবে, অথচ তা সে করতে সক্ষম হবে না। আর যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের কথা কান পেতে শুনল, অথচ তারা তাকে তা শোনাতে চায় নি, তার কানে কেয়ামতের দিন শিশা ঢালা হবে, যে ব্যক্তি ছবি অঙ্কন করবে কেয়ামতের দিন তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং তাকে বলা হবে তাতে রুহ সঞ্চার করতে, অথচ তা করতে সে সক্ষম হবে না।
ঈশ্বর মানুষকে চরম শাস্তি দেন যখন তিনি তাকে নিঃসঙ্গ করেন।
মানুষ যতই মিথ্যা বলুক না কেন, শেষ পর্যন্ত তার মিথ্যা ধরা পড়ে যায়।
তোমার অবহেলা আমাকে শিখিয়েছে—নিঃশব্দে দূরে চলে যাওয়াই হলো সবচেয়ে বড় শাস্তি!
মিথ্যা বলে ভালো হওয়ার চেয়ে, সত্য বলে খারাপ হওয়া অনেক ভালো।