#Quote
More Quotes
কলিযুগে মানুষ খরা ও অত্যধিক করের কবলে পরে মানুষের খাদ্যের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠবে গাছের পাতা, মূল, মাংস, মধু, ফল, ফুল, বীজ। খরায় মানবজাতি ক্রমাগত ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।
কলিযুগে বাস করতে গেলে ধৈর্য ধারণ শিখতে হবে, নয়তো টিকে থাকতে পারবে না।
শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন কলিযুগে ভন্ড সাধকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। সত্যই তো, ওপরে ধর্ম সাধকে মোড়া জ্ঞানী মানুষগুলি আদতে নিজেরাই ধর্মভ্রষ্ট।
কলিযুগে মানুষের মাঝে ঝগড়া-বিবাদ, খিদে, তৃষ্ণা, রোগ-ভোগ ও গভীর উদ্বেগও ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে।
গীতায় বলা আছে কলিযুগের প্রভাবেই ক্রমে ধর্ম, বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা, সহিষ্ণুতা, ক্ষমা প্রদর্শন, শারীরিক ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি এই সবকিছু শেষ হয়ে যাবে।
দেশ ও সমাজের বুকে যারা ধার্মিক ও জ্ঞানী হিসেবে খ্যাতি পাবেন তাদের প্রকৃত মানসিকতা থাকবে শকুনের ন্যায়। উপরে ধর্ম ও জ্ঞানের বর্ম পরিহিত মানুষগুলি নিজেরাই হবে ভন্ড।
আমরা কলিযুগে বাস করছি, এখানে কতকিছুই হবে, এখনও তো কিছুই দেখা হয় নি আমাদের, আরো কত কি হওয়ার বাকি।
কলিযুগের কেষ্টদের থেকে সাবধান থাকা জরুরি, তাদের মনে তোমার জন্য প্রেম থাকে না, থাকে শুধু লালসা।
কলি যুগে কোনও মানুষের কাছে অর্থ না থাকলে, তাকে অপবিত্র হিসেবে গণ্য করা হবে। অন্যদিকে ভণ্ডামিকে গ্রহণ করা হবে সম্মানের সঙ্গে।
কলিযুগে নিজের বৃদ্ধ বাবা-মার দায়িত্ব অস্বীকার করবে সন্তান।