#Quote
More Quotes by Rudra Mohammad Shahidullah
যে মাঠ থেকে এসেছিল স্বাধীনতার ডাক, সেই মাঠে আজ বসে নেশার হাট
একটা ঠিকানা চাই। যেই ঠিকানায় সপ্তাহ শেষে একটি করে চিঠি দিব..প্রেম-প্রেম, আবেগে ঠাসা, ভালোবাসায় টইটুম্বুর! হবে একটা ঠিকানা? কারনে অকারনে চিঠি দিব। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
সে তার দেহের বস্ত্রহীনতার কথা বলেছিলো- বুঝি সে-কারণে ফর ফর করে টেনে ছিঁড়ে নেয়া হলো তার শার্ট। প্যান্ট খোলা হলো। সে এখন বিবস্ত্র, বীভৎস। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
প্রত্যেকের বুকের নিভৃতে কিছু দগ্ধ ক্ষত থাকে লুকানো, কিছু অসম্পূর্ণ নির্মাণ, ভাংগাচোরা গেরস্হালি ঘরদোর, প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু নিদ্রাহীন রাত্রি থাকে যাকে চিরদিন নষ্ট নোখের মতো রেখে দিতে হয় কোমল অনিচ্ছার বাগানে যাকে শুধু লুকিয়ে রাখাতেই সুখ, নিজের নিভৃতে রেখে গোপনে পোড়াতেই একান্ত পাওয়া। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
তার দশটি আঙুল- যে-আঙুলে ছুঁয়েছে সে মার মুখ, ভায়ের শরীর, প্রেয়সীর চিবুকের তিল। যে-আঙুলে ছুঁয়েছে সে সাম্যমন্ত্রে দীক্ষিত সাথীর হাত,স্বপ্নবান হাতিয়ার, বাটখারা দিয়ে সে-আঙুল পেষা হলো। সেই জীবন্ত আঙুল, মানুষের জীবন্ত উপমা। লোহার সাঁড়াশি দিয়ে, একটি একটি করে উপড়ে নেয়া হলো তার নির্দোষ নখগুলো। কী চমৎকার লাল রক্তের রঙ। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
কথা কি শেষ হয়ে যায়- সব কথা?
বহুদিন ধ’রে খুঁজছি এখনো আজো একজন বিশ্বাসী মানুষ খুঁজছি- বড়ো একাকি আছি।
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ,আমাকে গ্রহণ করো। উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান,আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ। আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে। - রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বসবে না, চিত্রল তরুণ হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট
শেষমেশ যে যার সন্ধার কাছে ফিরে যায়, যে যার অন্ধকারের কাছে।