-6788be1fbcb1b.png)
Sheikh Ahmadullah
Date of Birth | : | 15 December, 1981 (Age 43) |
Place of Birth | : | Laxmipur, Bangladesh |
Profession | : | Islamic Scholar |
Nationality | : | Bangladeshi |
Social Profiles | : |
Facebook
Twitter
|
শায়খ আহমাদুল্লাহ (Sheikh Ahmadullah) বাংলাদেশের স্বনামধন্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব। বিদগ্ধ আলোচক, লেখক ও খতীব। ইসলামের খেদমতে তিনি নানামুখী কাজ করেন। লেখালেখি, গবেষণা ও সভা-সেমিনারে লেকচারসহ নানামুখী দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। উন্মুক্ত ইসলামিক প্রোগ্রাম ও প্রশ্নোত্তরমূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং টিভি অনুষ্ঠানে সময় দেওয়াসহ বহুমুখী সেবামূলক কাজে সপ্রতিভ গুণী ও স্বনামধন্য এই আলেমে দীন
জীবনী
শেখ আহমদুল্লাহ ১৯৮১ সালের ১৫ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলার বশিকপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মাতার নাম মোসাম্মৎ দেলোয়ার বেগম। বাবা ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। শেখ আহমদুল্লাহ তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
শিক্ষাজীবন
শেখ আহমদুল্লাহর শিক্ষা তার যত্নশীল মায়ের হাতে। প্রাথমিক শিক্ষা বশিকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হন। কয়েক বছর নোয়াখালীর কয়েকটি মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করার পর তিনি হাতিয়ার ফয়জুল উলূম মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে কিংবদন্তি আলেম দ্বীন মুফতি সাইফুল ইসলাম (রহ.)-এর সান্নিধ্য ও ছাত্রত্ব লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এরপর দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম হাটহাজারী মাদরায় ভর্তি হন। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) (সানুবিয়া) উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ১০ তম স্থান, স্নাতক (ফজিলত) 3য় স্থান এবং ২০০১ দাওরায়ে হাদীসে সম্মিলিত মেধা তালিকায় 2য় স্থান অর্জন করেছে। দাওরায় হাদিস শেষ করে খুলনা দারুল উলূম থেকে ইফতা সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি মিরপুরের দারুর রাশাদে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেন। মিরপুরের আরজাবাদ মাদ্রাসায় এক বছর হাদিস পড়ান। এছাড়া ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি মিরপুরের বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে, একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার সুযোগ এসেছিল। আরবি ভাষায় বিশেষ দক্ষতার কারণে তাকে মধ্যপ্রাচ্যে ডাকা হয়। সৌদি আরবের পশ্চিম দাম্মামে ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টারে যোগদান করেন। সেখানে প্রচারক ও অনুবাদক হিসেবে প্রায় দশ বছর কাজ করেন। তিনি আরবদের পাশাপাশি বাংলাদেশিদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন।
জনপ্রিয়তা
দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি সাহায্য সংস্থা আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। ফেসবুক ও ইউটিউবে ইসলাম নিয়ে আলোচনা তাকে জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। এছাড়া ইসলাম বিষয়ে তার সহজবোধ্য লেখাও পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে।
লেখা
ইসলাম সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি শায়খ আহমদুল্লাহও লিখেছেন। তাঁর বই 'সকাল ও সন্ধ্যায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দুআ এবং জিকর' এবং 'পাঁচ ওয়াজিব নামাযের পরে দুআ এবং জিকর'-এর কার্ড আজ পর্যন্ত (২/২০২২) তিন লক্ষেরও বেশি কপিতে বিতরণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি দাওয়াহ ও গবেষণার উপর শতাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে তার লেখা প্রকাশিত হয়। আরবীতেও তার অনেক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
বই
- সিরাত স্মারক
- রমাদান প্ল্যানার
- সামনে ছাত্র (সা.) এর সকাল সন্ধ্যার দু'আ ও কর এবং দোয়া কর