S M Jahangir Hossain
Member of the Bangladesh Parliament
| Date of Birth | : | 01 January, 1973 (Age 53) |
| Place of Birth | : | Dhaka, Bangladesh |
| Profession | : | Politician |
| Nationality | : | Bangladeshi |
| Social Profiles | : |
Facebook
|
এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন (S M Jahangir Hossain) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও একজন জাতীয় সংসদ সদস্য।
প্রারম্ভিক জীবন
জাহাঙ্গীর ১ জানুয়ারি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছেন। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করে তিনি তেজগাঁও কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য হোন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। একই বছরে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরের বছর তিনি কলেজটির ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে তিনি ছাত্রসংগঠনটির সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তার বিরুদ্ধে একজনকে হত্যার মামলা দেওয়া হলে তিনি নিরাপত্তাজনিত কারণে আত্মগোপনে চলে যান। ২০০১ সালে তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাজনৈতিকভাবে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতা সাইফুল আলম নীরবের অনুসারী ছিলেন। ২০০০-এর দশকের প্রথমদিকে তিনি কিছু সময়ের জন্য দেশ ছেড়ে বিদেশ চলে যান। তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেন। এক এগারোর সময়ে তিনি ২০০৭ ও ২০০৮ সালে আবার আত্মগোপনে চলে যান। ২০১০ সালে তিনি একইসাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক হোন। তিনি এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার গঠিত আংশিক কমিটিতে জাহাঙ্গীরকে সভাপতি নিযুক্ত করে এক মাসের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তিনি নতুন দায়িত্বের সাথে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হিসেবে থাকায় শীঘ্রই নতুন দায়িত্ব থেকে সরে যান।
রাজনৈতিক জীবন
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৮ আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়ান। ২০২০ সালে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য সাহারা খাতুনের মৃত্যু হলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়। এর ফলে আসনটিতে উপনির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল উপনির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দেয়। উপনির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিব হাসানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০২৩ সালে দশ বছর পূর্বে উত্তরা পূর্ব থানায় করা একটি মামলার রায় অনুযায়ী তিনি সহ অভিযুক্ত ৭৩ জনের জন্য আদালত ৭ বছরের জন্য কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় জাহাঙ্গীর শিক্ষার্থীদের সমর্থন করেন এবং ঢাকার উত্তরা থেকে নিয়মিত আন্দোলনে যোগ দিতে থাকেন। ফলে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তার বাড়ি আক্রমণের শিকার হয়। আন্দোলনটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয় যার ফলে ৫ আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর জাহাঙ্গীর কারাগার থেকে মুক্তি পান। ছাড়া পাওয়ার পর তিনি স্থানীয় পর্যায়ে তার কর্মীদের সাথে যোগাযোগ শক্তিশালী করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্তরে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে থাকেন। ছাড়া পাওয়ার পরপরই তিনি উত্তরা পশ্চিম থানায় ২০২৫ সালে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় শেখ হাসিনা সহ ৮২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তার দল তাকে আবার মনোনয়ন দেয় এবং তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৮ আসনের জন্য নিশ্চিত করা হয়। নির্বাচনে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী আরিফুল ইসলামের চেয়ে প্রায় ৩৩,০০০ ভোট বেশি পেয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন।
ব্যক্তিগত জীবন
জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর নাম রাজিয়া সুলতানা। তাদের দুই মেয়ে রয়েছে। তাদের বাসভবন উত্তরার নিকটে আব্দুল্লাহপুরে অবস্থিত।
Quotes
Total 0 Quotes
Quotes not found.