সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল
সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর : বাংলা কবিতার ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথের “সোনার তরী” একাট চিরায়ত আবেদনবাহী কবিতা । এ কবিতায় চারপাশের প্রবল শ্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মতো একটি ধানখেতে নিঃসঙ্গ এক কৃষক তার উৎপন্ন ধানের সম্ভার নিয়ে অপেক্ষমাণ ৷ পাশের খরস্রোতা নদী আকাশের ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে হিংস্র হয়ে উঠেছে। চারদিকের ‘বাকাজল’ নিয়ে বেয়ে আসা এক মাঝিকে দেখা যায়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ১ :
মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন । আলবেনিয়ান বংশোৎভূত হয়েও তিনি তার কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় মিশনারিজ অব চ্যারিটি নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে এই চ্যারিটি হোম সমথ পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করে । এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন । কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তীর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ২ :
শামীম চৌধুরী একজন সাংবাদিক। সরকারের দুর্নীতিমূলক সংবাদ প্রকাশ করে বেশ সুনাম অর্জন করেন তিনি। সরকারের শত রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সংবাদ প্রকাশ করে জনগনের মাঝে ব্যাপক আলোচিত হন। যে পত্রিকায় কাজ করেন সে পত্রিকাও তাকে নিয়ে গর্ব করে। কিছুদিন যাবৎ একেবারে অক্ষম হয়ে অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছেন। প্রথম দিকে পত্রিকা অফিসের কয়েকজন সহকর্মী খোঁজখবর নিলেও এখন প্রায় অসহায় অবস্থায় আছেন। লোকমুখে ও টেলিভিশনে এখনও মাঝে মাঝে তার লেখার প্রশংসা শোনেন। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়ায় না কেউ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ :
মানুষ মরণশীল এ সত্য ‘চিরন্তন’ কিন্তু মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছে পৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ :
পলি ও মিলি কলেজে পড়ে। ‘সোনার তরী’ কবিতাটি তাদের ক্লাসে পাঠ্য। কবিতাটি তারা পড়েছে, কিন্তু বুঝতে পারে নি। তারা তাদের বৃদ্ধ নানা ভইয়ের কাছে কবিতার মূল বিষয়বস্তু জানতে চাইল। নানা ভাই কবিতাটি শুনে বলল, মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী কিন্তু কর্ম চিরস্থায়ী। জীবনের ধ্বংস আছে, কর্মের নেই। দেহগত ধ্বংসের পরও কেউ কর্ম দিয়ে বহুকাল বেঁচে থাকতে পারে। মহাকালের খেলাঘরে খেলনার মূল্য নেই, খেলার মূল্য অসীম। তাই মহাকালের প্রতীক তরণীতে কেবল সোনার ফসলরূপ মহৎ সৃষ্টিকর্মের ঠাঁই হয়, কর্মী কৃষকের স্থান হয় না। সমস্ত কর্ম রেখে ব্যক্তিকে হতে হয় নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ :
মহাকাল ধরে যাহা জরাজীর্ণ, দীর্ণ, পুরাতন
সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ :
সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ :
সৃজনশীল প্রশ্ন ৮ :
পৃথিবীর আদিলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত মানুষ কত বুদ্ধি, শ্রম ও মেধার প্রকাশ ঘটিয়েছে তা যেন ভাবাও যায় না। এভাবেই যুগে যুগে সঞ্চিত জলবিন্দুর মতোই সভ্যতা গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ বিশাল সভ্যতা চক্ষগ্রাহ্য- সভ্যতার নির্মাতা দৃষ্টির অগোচরে। নিজামের এই কথায় হেসে উঠে সোহেল বলে: ‘‘তুই তো দেখি দার্শনিক হয়ে গেলি।” ‘‘দার্শনিক সক্রেটিসের কথাই বল, নিজের জীবনদর্শনকে সত্য, অমর ও চিরভাস্বর করে রাখতে গিয়ে তিনি নিজে আত্মত্যাগী হলেন। কেউ তো আর সৃষ্টির সাথে অমর হয় না।”- নিজামের উত্তর।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৯ :
সৃজনশীল প্রশ্ন ১০ :
Categories
Latest Blogs
-
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) নিয়োগ...
March 13, 2026 -
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নিয়োগ...
March 11, 2026 -
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ নিয়োগ...
March 09, 2026 -
পুলিশ নিয়োগ ২০২৬
February 27, 2026 -
প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি...
February 26, 2026