মাটি কাকে বলে
-674809948bb21.png)
মাটির গুনাগুন
ভূ-ত্বক প্রথমে শিলা দ্বারা গঠিত ছিল। সময়ের সাথে সাথে, শিলা ক্ষয় প্রক্রিয়া (যেমন বৃষ্টি, বাতাস, তাপমাত্রার পরিবর্তন) এর প্রভাবে শিলা ভেঙ্গে ছোট ছোট খণ্ডে পরিণত হয়। এই খণ্ডগুলো বালি, পলি এবং কর্দম নামে পরিচিত।মাটি এই বালি, পলি, কর্দম, জৈব পদার্থ এবং অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যোপাদান (যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম) এর মিশ্রণ দ্বারা গঠিত হয়।শিলা ক্ষয় প্রক্রিয়া মাটিতে এই খাদ্যোপাদানগুলো মুক্ত করে।মাটিতে খনিজের পরিমাণ ৪৫%।মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ সাধারণত ১-২% থাকে। তবে, হিম অঞ্চলের মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ ২-৫% পর্যন্ত হতে পারে। এই জৈব পদার্থ উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশ এবং মলমূত্র থেকে তৈরি হয়।মাটির আবদ্ধকরণ পদার্থ হিসেবে জৈব পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং মাটির কাঠামো উন্নত করে।মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ খুব কম হলেও এটি মাটির গুণাবলী নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।বর্ষাকালে: প্রবল বৃষ্টিপাত বা সেচের ফলে মাটির অধিকাংশ রন্ধ্র পানিতে ভরে যায়। শুষ্ক মৌসুমে: এই রন্ধ্রগুলো বায়ু দ্বারা পূর্ণ থাকে।মাটির বায়ু: বায়ুমন্ডলের বায়ুর তুলনায় মাটির বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয়বাষ্প বেশি থাকে, অক্সিজেন কম থাকে।
মাটির প্রকারভেদ
এটেল মাটি কাকে বলে
দোআঁশ মাটি কাকে বলে
বেলে মাটি বৈশিষ্ট্য
এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা কম।